অযত্নে থাকা চুলের যত্নের

অযত্নে থাকা চুলের যত্নের কিছু সহজ সমাধান

MD Ripon Ahmed Comments 0 September 9, 2019

অযত্নে থাকা চুলের যত্নের

অযত্নে থাকা চুলের যত্নের, আপনি কি নিজের কাজ নিয়ে খুব ব্যস্ত। সেই কারণে নিজের চেহারার প্রতি একদম নজর দিতে পারেন না? তা না হয় হল। কিন্তু চেহারার দিকে নজর দিতে না পারলেও, খুব সামান্য মেকআপ বা একটু ফ্যাশানেবল জামাকাপড় দিয়েই হয়তো চেহারা সাজিয়ে নিতে পারলেন, কিন্তু যা নিয়ে হিমশিম খেতে হবেই, তা হল চুল।

কোনও কোনও দিন চুলের যত্ন নিতে পারেন ঠিকই, কিন্তু অধিকাংশ দিন ব্যস্ততার কারণে সেদিকে আর তাকাতে পারেন না। এমন দিনে অল্প সময় ব্যয় করে, অল্প আয়াসে যাতে চুলকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে পারেন, রইল তার টিপস।

১। ড্রাই শ্যাম্পু :

ড্রাই শ্যাম্পু অতিরিক্ত তেল শোষণ করে এবং আপনার চুলে একটা ভলিউম টেক্সচার যোগ করে। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে ড্রাই শ্যাম্পু ভালো কাজ করে না। সেক্ষেত্রে অন্য একটা সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন।

এক চা চামচ বেবি পাউডার নিন। আস্তে আস্তে স্কাল্পে মাসাজ করুন। এটিও অতিরিক্ত তেল শোষণ করে নেবে। মনে রাখবেন এটা অল্প পরিমাণেই ব্যবহার করবেন। নাহলে এই বেবি পাউডার প্রকাশ্যে দেখা যাবে।

২। অর্ধেক ধুয়ে নিন :

শ্যাম্পু করা, কন্ডিশনার ব্যবহার করা এবং শুকোনো। সবমিলিয়ে একটা লম্বা সময়ের প্রক্রিয়া। অনেকেরই হাতে ততটা সময় থাকে না এই তিনটে করার মতো। কিন্তু খুব সহজেই একে বাইপাস করা যায়। এবং এমন একটা লুক তৈরি করা যায়, যাতে আপনার চুল ততটা অগোছালও লাগবে না।

এ জন্য আপনার ছুলের অর্ধেকটা শ্যাম্পু করুন। মূলত কপালের কাছটা বা চুলের সামনের দিকটা যদি পরিষ্কার করে নেন, তাহলেই হবে। আর ডগার দিকটাও যদি করে রাখতে পারেন, তাহলে তো আরও ভালো। প্রয়োজনে কাজটা সিংক বা বেসিনেও সেরে নিতে পারেন। সেখানটা শুকিয়ে নিনি। আর ধরা পড়বে না, যে আপনি চুল পরিপাটি করে রাখেননি।

অযত্নে থাকা চুলের যত্নের

৩। ইলাস্টিক হেডব্যানড :

যদি আপনার চুল ধোয়ার সময় না থাকে এবং গোড়ার দিকটা একটু চটচটে হতে শুরু করে, তবে তাদের ঢেকে রাখার জন্য একটি পুরু ইলাস্টিক হেডব্যান্ড ব্যবহার করুন। চুলের গোড়া চটচটে হয়ে গেলে, ওপরের দিকটাও তার কারণে তৈলাক্ত হয়ে যায়।

কিন্তু এই হেডব্যান্ড দিয়ে টেনে রাখলে যেহেতু ওপরটা সমতল দেখায়, তাই সেটা হয় না। তবে এর ওপর একটু ভলিউমিং স্প্রে ব্যবহার করুন। এতে আপনার সত্তরের দশকের গ্ল্যাম চেহারা ফিরে আসবে আপনার চুলের স্টাইলে।

৪। হেয়ার মাস্ক :

আপনার চুল যত স্বাস্থ্যবান হবে, তার কম যত্নেও তাকে সুন্দর লাগবে। আর চুলের স্বাস্থ্যের জন্য চুলের মাস্কের কোনও তুলনা হয় না। মাঝে মাঝেই ব্যবহার করতে পারেন। এমনকী সপ্তাহে একবারও যথেষ্ট।

এই মাস্ক আপনার চুলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমাবে। চুলকে হাইড্রেটেড এবং ফুরফুরে রাখতে সাহায্য করবে। বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, যাঁদের চুল নিয়ে সমস্যা রয়েছে, তাঁরা যদি মাস্ক ব্যবহার করেন, তাহলে সেই ক্ষতির অনেকটাই আটকানো যায়।

৫। রাতের খোঁপা :

যদি আপনার চুল লম্বা বা মাঝারি দৈর্ঘ্যের হয়, তাহলে জট পড়া বা চুল খারাপ হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচানোর একটা সহজ উপায় রয়েছে। রাতে ঘুমানোর আগে চুল ধুয়ে ফেলুন। তারপর মাথার ওপরে একটা খোঁপা বেঁধে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে দেখবেন চুলে স্বাভাবিক ভাবেই একটা ওয়েভ এসেছে। কোনও পরিশ্রম না করেই সাজানো চুল পাবেন। জটও পড়বে না।

৬। তেল লাগান :

ভেজা চুল নিয়ে রাতে শুতে গেলেন। যখন জেগে উঠলেন, দেখলেন চুলের দফারফা হয়ে গিয়েছে। এলোমেলো জট পাকানো চুল। এবার কী করবেন? তাৎক্ষণিক সমাধান আছে এই সমস্যার জন্য। হাতে কয়েক ফোঁটা তেল নিন। সেটা হালকা করে আপনার চুলের মধ্য দিয়ে চালিয়ে নিন। এটা আপনার চুলকে দুর্দান্ত ঔজ্জ্বল্য দেবে।

Content Protection by DMCA.com