কিডনি ভালো রাখতে করণীয় , কিডনির সমস্যা দূরে থাকবে আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ হল কিডনি।

কিডনির সমস্যা দূরে থাকবে যে নিয়ম মেনে চললে

admin Comments 0 April 8, 2019
কিডনি ভালো রাখতে করণীয়
Kidney

কিডনি ভালো রাখতে করণীয় , কিডনির সমস্যা দূরে থাকবে আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি।

আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ হল কিডনি। অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনকারী একটি অঙ্গ হল বৃক্ক বা কিডনি। আমাদের শরীরের রক্ত পরিশোধনকারী অঙ্গ হল কিডনি।

শরীরে জমে থাকা নানা রকম বর্জ্য পদার্থ পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে।

দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছেন, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়।

মাত্রাতিরিক্ত শারীরিক-মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে কিডনির নানা সমস্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।

 শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যত্ন নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আর কিডনি ভাল রাখতে আমাদের কিছু নিয়ম অবশ্যই মেনে চলা উচিৎ।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কিডনি সুস্থ রাখার কয়েকটি উপায়-

১। কিডনি সুস্থ রাখতে প্রতিদিন অবশ্যই অন্তত ২ থেকে ৩ লিটার পানি খাওয়া জরুরি।

তবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাভাবিক সুস্থ জীবনে ফেরার আগে পর্যন্ত কতটা পানি খাবেন, তা জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২। প্রস্রাব কখনওই চেপে রাখবেন না। এতে মূত্রথলিতে সংক্রমণ (ইনফেকশন) হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

৩। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনও ওষুধ, বিশেষ করে ব্যথানাশক (পেনকিলার) ওষুধ বা কোনও অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না। মাত্রাতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ বা কোনও অ্যান্টিবায়োটিক কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।

৪। আপনার বয়স যদি চল্লিশ বছর বা তার চেয়ে বেশি হয়, সেক্ষেত্রে নিয়মিত বছরে অন্তত একবার ডায়বেটিস আর রক্তচাপ (ব্লাড প্রেশার) পরীক্ষা করান।

ডায়বেটিস বা রক্তচাপের সমস্যা থাকলে, তা নিয়ম মেনে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

৫। বছরে অন্তত একবার চিকিত্সকের পরামর্শ মেনে প্রসাবের মাইক্রো-এলবুমিন পরীক্ষা করান।

কিডনি ভালো রাখতে করণীয়

শরীরকে জীবাণুমুক্ত করে সুস্থ ও সবল রাখতে ভূমিকা রাখে শরীরের যে অঙ্গ তা হলো কিডনি।

গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটিই যদি অকেজো হয়ে পড়ে তাহলে শরীর নানা রোগে আক্রান্ত হবে। 

তাছাড়া কিডনি যে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা বুঝতেও পড়তে হয় বেকায়দায়।

তাই এ ব্যাপারে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে সেগুলো নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো :

সাধারণত হরমোন উত্পাদন থেকে শুরু করে রক্ত ফিল্টার, ইউরিন নিঃসরণ, শরীরের বর্জ নিঃসরণ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, খনিজ লবণ নিয়ন্ত্রণ করে কিডনি।

অতিরিক্ত সোডা পান: গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত সোডা পান করলে কিডনি ধ্বংস হতে পারে।

যে ব্যক্তি দুই বা তিন গ্লাস সোডা পান করে তার কিডনি রোগ হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।

প্রসাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে যাওয়াটাই কিডনি ধ্বংসের একটি প্রাথমিক লক্ষণ। প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগ নির্ণয় করা গেলে তা প্রতিকার করা সম্ভব।

ভিটামিন বি-৬ এর ঘাটতি : এটা কিডনি ক্ষতির অন্য একটি কারণ। কিডনিকে ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন বি-৬ এর অভাবে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি থাকে। দৈনিক ১.৩ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি-৬ গ্রহণ একটি কিডনিকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।

যেসব খাবারে এই ভিটামিন বেশি থাকে তা হলো- মাছ, মুরগীর বাচ্চা, গরুর কলিজা, আলু, আঁশ যুক্ত খাবার এবং ফর্মালিনমুক্ত ফলমূল।

ব্যায়ামের অভাবে: কিডনিকে ভালো রাখার আরও একটি উপায় হচ্ছে ব্যায়াম।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে ব্যক্তি নিয়মিত ব্যায়াম করে তার কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি ৩১ শতাংশ কম থাকে।

ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি: শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতির কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই কিডনিকে সুস্থ রাখতে ম্যাগনেসিয়ামের জুড়ি নেই।

একই সঙ্গে খাদ্য তালিকায় সবুজ শাক-সবজি , মটরশুটি, দানাজাতীয় খাবার, বাদাম এবং অ্যাভাকাদো রাখা যেতে পারে।

Content Protection by DMCA.com

0 Comments

Leave a Reply