বাদামের যত গুনাগুন

হার্ট সুস্থ রাখতে বাদামের কোন বিকল্প নেই। বাদামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং মিনারেল থাকে। যা হার্ট অ্যাটাক এবং হৃদযন্ত্রজনিত অন্যান্য সমস্যা কমিয়ে দেয়

বাদাম ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

বাদাম ত্বকের তারুণ্যতা ধরে রেখে ত্বকের উজ্জ্বল বাড়ায়। এটি দেহকোষ বাড়তেও সাহায্য করে। বাদামে প্রচুর প্রোটিন থাকে। দেহকোষের বাড়াতে প্রোটিন সাহায্য করে।

শিশুদের বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাদামের ভূমিকা অনস্বীকার্য। এর মধ্যে দুধের গুণাগুণও বিদ্যমান থাকে । প্রতিদিন বাদাম খেলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরেরকে ভেতর থেকে শক্তিশালী হয়।

সব ধরনের বাদামই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন ৩০ গ্রাম বা এক আউন্স বাদাম। পরিমাণটা মোটামুটিভাবে এক মুঠ।

কাঠবাদামে স্নেহ পদার্থের পরিমাণ পেস্তাবাদামের তুলনায় বেশি, পেস্তাবাদামে আবার শর্করার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি।

আখরোটে কাঠবাদাম-পেস্তা বাদামের চেয়ে স্নেহ পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই ক্যালরিও পাওয়া যায় বেশি । হৃৎপিণ্ডের সুস্থতার পাশাপাশি মস্তিস্কের জন্যও এটি ভালো, বিশেষ করে শিশুদের জন্য। মস্তিস্ক ও বুদ্ধিমত্তা বিকাশের সময়টাতে প্রতিদিন ২০-২৫ গ্রাম পরিমাণ আখরোট খাওয়া ভালো।

কাজুবাদামে তুলনামূলকভাবে শর্করার পরিমাণ বেশি, আমিষ ও স্নেহের পরিমাণ কম

চিনাবাদামে শর্করা ও আমিষ তুলনামূলকভাবে কম, এতে বেশি থাকে স্নেহজাতীয় উপাদান। তাই অতিরিক্ত পরিমাণে চিনাবাদাম খাওয়া ঠিক নয়, ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *